লাইভ ভিডিও
নিচের খবরের সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখতে এখনই বাটনে ক্লিক করুন!

Top News

রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন, বিপদের সময় হতাশ না হয়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে

 


রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন, বিপদের সময় হতাশ না হয়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে। কারণ মানুষের কাছে যে কাজ অসম্ভব মনে হয়, আল্লাহর কাছে তা খুবই সহজ।


হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, কঠিন বিপদ ও দুশ্চিন্তার সময় রাসূল (সা.) এই দোয়াটি পড়তেন—


لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَرَبُّ الْأَرْضِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ


উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল আযীমুল হালীম। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রব্বুল আরশিল আযীম। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রব্বুস সামাওয়াতি ওয়া রব্বুল আরদি ওয়া রব্বুল আরশিল কারীম।


অর্থ:আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি মহামহিমান্বিত ও পরম সহনশীল। মহান আরশের রব আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। আসমানসমূহ, জমিন এবং সম্মানিত আরশের রব আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।


একবার হযরত ইউনুস (আ.) মাছের পেটের অন্ধকারে বন্দী হয়ে গেলেন। চারদিকে ছিল শুধু অন্ধকার—সমুদ্রের অন্ধকার, রাতের অন্ধকার এবং মাছের পেটের অন্ধকার। তখন তিনি আল্লাহর কাছেই ফিরে গেলেন এবং আন্তরিকভাবে দোয়া করলেন। আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করলেন এবং এমন জায়গা থেকে মুক্তি দিলেন, যেখান থেকে মুক্তি পাওয়া মানুষের কাছে অসম্ভব ছিল।


এই ঘটনাই আমাদের শেখায়, বিপদ যত বড়ই হোক না কেন, আল্লাহর রহমত তার চেয়েও বড়। তাই বিপদের সময় অভিযোগ নয়, দোয়াকে নিজের শক্তি বানান।


তবে মনে রাখতে হবে, শুধু দোয়া পড়লেই হবে না; এর সঙ্গে থাকতে হবে আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা, ধৈর্য, হালাল উপার্জন এবং গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা। আল্লাহ তাঁর হিকমত অনুযায়ী সর্বোত্তম সময়ে বান্দার দোয়ার জবাব দেন।


আল্লাহ তাআলা আমাদের সকল বিপদ-আপদ থেকে হেফাজত করুন, দোয়াগুলো কবুল করুন এবং সব অবস্থায় তাঁর ওপর ভরসা করার তাওফিক দান করুন। 

আমিন।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Post a Comment

Previous Post Next Post