নেপালে যখন মানুষ স্বজনের খোঁজে কাঁ’দ’’ছে, চারদিকে চলছে মৃ’ত’দে’’হ উদ্ধারের হাহাকার—ঠিক তখনই সামনে এলো মানবিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মতো এক ভয়ংকর দৃশ্য!
বন্যার পানিতে ভেসে আসা এক নারীর ম’র’দে’’হ কা’’দা, কাঠ আর ধ্বং’স’স্তূ’’পে’র মধ্যে পড়ে আছে। স্বাভাবিকভাবেই মনে হবে—মানুষগুলো হয়তো ম’র’দে’হ’’টি উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। কিন্তু ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, সেই ম’র’দে’হে’’’র কাছেই দুই ব্যক্তি পৌঁছান এবং একজন নারীটির মা’’থা ও চু’’ল ধ’’’রে তার কানের দুল খুলে নেয়।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তী’ব্র ক্ষো’’ভ তৈরি হয়েছে। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন—এটা কি শুধুই লু’ট’পা’’ট, নাকি মানবিকতার চূড়ান্ত প’ত’’ন?
আরও ভয়ংকর বিষয় হলো, মৃ’ত’দে’’হ থেকে গয়না খুলে নেওয়া হলে পরে সেই ব্যক্তিকে শনাক্ত করাও কঠিন হয়ে যেতে পারে। একটি পরিবারের কাছে সেই দুল হয়তো শুধু অলঙ্কার নয়—হতে পারে প্রিয় মানুষটিকে চেনার শেষ চিহ্ন।
পরে নেপাল পুলিশ ভিডিও দেখে চিহ্নিত করে দুইজনকে গ্রে’প্তা’’র করেছে। চিতওয়ানের ভারতপুর এলাকা থেকে মদন গুরুং (২৫) ও উমেশ চৌধুরী (৩৮) কে আ’ট’’ক করা হয়।
এখন প্রশ্ন হলো—এমন লোকের মানবিকতা কোথায়? যখন মানুষের লা’’শ পড়ে আছে, পরিবার খুঁজছে, তখন ওরা সোনার দুল খুঁজছে। মৃ’ত’দে’’হ থেকে অলঙ্কার খুলে নিলে পরবর্তীতে পরিচয় শনাক্ত করাও কঠিন হয়ে যায়। এটা শুধু চুরি না—এটা মৃ’তে’’র প্রতি চরম অবমাননা।
দু’র্যো’’গে মানুষের আসল চেহারা বেরিয়ে আসে। কেউ প্রা’’ণ বাঁচায়, কেউ লা’’’শ থেকেও লু’ট’পা’’ট করে। এই দুইজন সেই দ্বিতীয় দলের প্রমাণ।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Post a Comment